Skip to main content

Bhaia's Health Woes

My big bro's suffering from two diseases at the same time. He's got himself Dengue and Hepatytis-E. Last week he had to spend more than 4 days in the hospital. He was indeed very very sick and too weak even to move around. Me and my family members did duties at the hospital in turns. I had to stay over for two nights, which were my first nights at a hospital. Day before yesterday we got my bro back home, now he has to stay in complete bed rest for more than 2 weeks I guess. May Allah bring him back out of this illness with better health and Imaan. Amin.

Popular posts from this blog

নূরের শহরে (২) - উপহারের রাত

আমাদের হোটেলটা ছিল একেবারে মসজিদে নববীর চত্বর ঘেঁষে। মধ্যরাতের পর যখন পৌঁছলাম, এশার নামাজ তখনও বাকি আমাদের। সবাই খুব দ্রুত ফ্রেশ হয়ে নেমে এলাম। মদিনার ঠান্ডা ঠান্ডা রাতের আবহাওয়ায় এসে দাঁড়ালাম মসজিদের বাইরের সাদা চত্বরে। কতদিন পর আল্লাহ আবার নিয়ে এলেন। ১৫ বছর আগে, তখন আমি ক্লাস টেনে পড়ি, বাবা মা সাথে করে নিয়ে এসেছিলেন আমাদের ৩ ভাই বোনকে। সেই দিনগুলোর কথা ভাবলেই খুব মনে পড়তো এই শুভ্র, শান্তিময় খোলা চত্বরটার কথা। আবারও বাবা মায়ের হাত ধরেই এলাম এবার। আলহামদুলিল্লাহ। এই নিয়ামত আল্লাহ আরও অনেক অনেক বাড়িয়ে দিন। আমিন।


আমাদের ছোট জামাতটার ইমাম হয়ে নামাজ পড়ালাম। হুজুর হুজুর দেখতে হওয়ার কারণে, আর কয়েক পারা মুখস্ত থাকায় প্রায়ই বিভিন্ন জায়গায় নামাজ পড়াতে হয়। এমনকি ঢাকার এক মসজিদেও একবার ফজরের নামাজ পড়ানোর তৌফিক হয়েছিল, কোনো এক ৩ দিনের জামাতে থাকার সময়! কিন্তু এবারের এই নামাজ পড়ানোটাই আমার কাছে সবচেয়ে স্পেশাল ছিল, কারণ এবার দাঁড়িয়ে আছি মসজিদে নবনীর দেয়াল ঘেঁষে! তবে খুশির সাথে ভয়টাই বেশি ছিল সেই সময়। দাঁড়িয়ে আছি কোথায়! এই জায়গায় নামাজ পড়ানো কি, নামাজ পড়তেই তো বুক কাঁপার কথা আমার মতো মানুষের। মানুষকে…

আনিসের অঘটন

আনিস তার ঘরে আবদ্ধ। কেউ আটকে রাখেনি, নিজেই ঘাপটি মেরে আছে। আপাতত এ ছাড়া উপায় নেই। ঘরের বাইরে খাবার টেবিলে পরিস্থিতি গরম। আনিসের বাবা এমাজউদ্দীন সাহেব প্রচন্ড ক্ষেপে আছেন। ক্ষেপার কারণ আনিস।

আনিস একটা ঘটনা ঘটিয়েছে। ব্যাপারটা তার বাসায় মেনে নেবে না সেটা সে জানতো। তাও সে করেছে। সবচেয়ে বেশি রাগ হয়েছেন আনিসের বাবা। এমাজউদ্দীন সাহেব এক সময়ের নামকরা কার্ডিওলজিস্ট। তার রাগ ছিল বিখ্যাত। তার সামনে দাঁড়ালে যে কারোরই হার্ট দুর্বল হয়ে যেত, আর তার একজন সম্ভাব্য পেশেন্ট বাড়তো। বয়সের সাথে সাথে মানুষটা অনেক নরম হয়ে গেছে। তিনি এ ঘটনায় রাগ হবেন আনিস জানতো, তবে নরম মানুষটা এতটা গরম হবে, সেটা ভাবেনি।

বাইরের অবস্থা আঁচ করার জন্য আনিস দরজাটা অল্প ফাঁকা করে দাঁড়ালো। আনিসের বড়ো বোন শিউলি আপার গলা শোনা যাচ্ছে। শিউলি আপা আনিসের চেয়ে প্রায় নয় বছরের বড়ো হলেও আনিসের সাথে বন্ধুর মতোই তুই-তুই সম্পর্ক। আর যেকোনো তুই তুই সম্পর্কের মতোই তাদের ভেতরে ঝগড়াও লেগেই থাকে। তাদের কখন মিল কখন অমিল, সেটা বোঝা মুশকিল। তবে আজকের ঘটনার সময় তাদের ভেতর শান্তি বিরাজ করছে। এতে আনিসের সুবিধা হয়েছে। ঘটনা ঘটিয়ে আনিস প্রথমে জানিয়েছে শিউলি …

বৃষ্টির জলে ভেসে বেড়াই

[লেখাটা বৃষ্টি নিয়ে, তাই ব্যাকগ্রাউন্ডে বৃষ্টির সুর থাকলে মনে হয়ে মন্দ হয় না, কি বলেন? 
তাহলে হেডফোন লাগিয়ে ,পাশের প্লে বাটনে ক্লিক করুন ! সাথে এক চা হলে আরও ভালো ]


এশার নামাজে যাওয়ার সময় বৃষ্টি ছিল না। বৃষ্টির লক্ষণ ছিল, তবে লক্ষ্য করার সময় ছিল না। নামাজের মধ্যেই ঝিরঝির শব্দ পেলাম। বুঝলাম, আজ বাসায় ফিরতে দেরি হতে পারে। 


নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার জন্য আমাদের মুসল্লিদের বড় অংশের মধ্যেই প্রচন্ড একটা তাড়া থাকে। কবি আমাদের অন্তরের কথা জানতে পারলে হয়তো লিখতেন,

অস্থিরতা বৃদ্ধি পাইতেছে, অন্তর জ্বলিয়া যাইতেছে,
মসজিদের ভেতর যে আটকা, সে কি করিয়া শান্ত হইতে পারে ....


As expected, নামাজ শেষে মসজিদের গেটের কাছে এসে দেখি অনেক অস্থির মুসল্লিদের ভিড়, বেরোতে পারছে না। বাইরে ঝুম বৃষ্টি। আটকে পড়া ভাইয়েরা অসহায় দৃষ্টিতে বৃষ্টি দেখছে। গেটের সামনে দোতলায় উঠার প্রশস্ত সিঁড়ি। আমি কয়েক ধাপ উপরে উঠে বসে পড়লাম, ঠিক স্টেডিয়াম বা সিনেপ্লেক্সের গ্যালারিতে বসার মতো। কারণ বৃষ্টি আমার কাছে একটা enjoyable জিনিস, একটা Source of entertainment । তবে রাতের বেলায় বৃষ্টি দেখা যায়না। গাড়ির আলোর সামনে কেবল বৃষ্টির ধারাটা দ…